top of page

আজ উস্তাদ ইয়াকুব আলী খানের ৬৫ তম জন্মবার্ষিকী।। শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।। ইউসুফ আহমেদ খান

আজ ১০ আগস্ট, ২০২১। ১৯৫৬ সালের এই দিনে যেই মানুষটি জন্মেছিলেন তিনি আমার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু, শুভাকাঙ্ক্ষী, সমালচক, সংগীত এবং জীবনবোধের সবচেয়ে বড় শিক্ষক (আমার মার পরেই), উস্তাদ ইয়াকুব আলী খান।


তাঁর সন্তান হয়ে জন্ম নেওয়াটা যতটা গর্বের, এই জীবনে তাঁর তালিমধন্য হওয়াও কম সম্মানের নয়। একাধিক কারণ রয়েছে, যেমন কোন সহ-শিল্পী বন্ধুদের প্রতি কতটা সম্মান ধারণ করতে হয়, অন্যের গানের কতটা ভাল শ্রোতা হয়ে সম্মান দিতে হয়, তা শেখার বিষয়, অনেকেই ভাবতে পারেন যে, এটা হয়তো খুব বড় বিষয় নয়, আমি বলব, এটাই সংগীতের শিক্ষা। মানুষকে সম্মান দেয়া আর বড় করে ভাবা, নিজের সম্পর্কে অতি সাধারণবোধ, আর সকলকে বিশ্বাস করার মানুসিকতার শিক্ষা পেয়েছি তাঁর কাছেই।


তাঁর কাছে সুর শিক্ষা বা তালিম চলছে, চলবেই। অনেক বন্ধুরা আমাকে বুদ্ধি দিয়েছেন, যে ওপারে অনেক গুনী সংগীত গুরু রয়েছেন তাদের তালিম নিতে, আমি হেসে সবসময় বলি(কখনও আবার বলিওনা), বাবার তালিমটা ধারন করতে আরও ১০০ বার জন্ম নিতে হবে আমকে। আর ডায়েরি ভরে তান নিয়ে যারা খুশি থাকে/থাকেন, তাদের জন্যে আমার এটুকুই বলার- সংগীত শিক্ষার এবং শিল্পী হবার জন্যে ডায়েরি / রেকর্ড করে নিয়ে গিলবার থেকে মাথায় নিয়ে বা গুরুর সামনে বসে তাঁকে গিলবার অনেক উপকার। আর সবচেয়ে বড় কথা তাঁর আজীবন তপস্যার ফসল "মিরপুর ঘারানা" এর পরিক্ষার ফসল আমি, এর সম্মান আর পরিচয় আমাকে সবার কাছে তুলে ধরতে হবেই।


আসলে সব বিষয় একটা পোস্টে লিখবার ক্ষমতা আমার নেই, তবে এটাই বলি, তাঁর মতো মুক্তবুদ্ধি আর সার্বজনীন মতাদর্শ কারো কাছেই দেখিনি, তাঁর সকল সংগীত গুরুর প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা তাঁকে বড় করেছে বহুগুণে। আর সবচেয়ে বড় করেছে তাঁর সারল্য আর মানুষের প্রতি তাঁর ভালবাসা।


একজন উস্তাদ ইয়াকুব আলী খান সময়ের সাক্ষী, দেশের গর্ব, আমার অহংকার। আমি গর্বিত তাঁর সন্তান হয়েছি বলে,

ধন্য হয়েছি উম্মে জোহরা হকের কাছে, এমন মা পেয়েছি বলে, আর তিনিই পেছন থেকে আজকের উস্তাদ ইয়াকুব আলী খান গড়ে তুলেছেন নিবিড়ভাবে।


শুভ জন্মদিন বাবা।।

ভালবাসা আর শ্রদ্ধা।।

Opmerkingen


পাঠক নিবন্ধন ফর্ম​

জমা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ!

লেখা প্রদানের জন্য মেইল করুন

banglakotha2011@gmail.com

©2025 by Banglakotha

Bangladesh

bottom of page