top of page

আন্তর্জাতিক নারী দিবস ও নারীর মর্যাদা

১৯১০ সাল থেকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হচ্ছে। কিন্তু নারীর মর্যাদা ও অধিকার কি আদৌ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে? এখনও নারীরা যেন বিজ্ঞাপনের পণ্য। অথচ, আজ থেকে দেড় হাজার বছর আগে............ নারীকে পরিপূর্ণ অধিকার, মর্যাদা ও সম্মান প্রদর্শন করেছে ইসলাম। মাত্র কয়েকটি নমুনা নিম্নরূপ - ১. পবিত্র কোরানে নারী বিষয়ক পরিপূর্ণ একটি সূরা রয়েছে, যার নাম -সূরাতুন নিসা ২.মহিয়সী নারী হযরত মারিয়ম (আ) এর নামে একটি সূরা রয়েছে, যার নাম সূরা মারিয়ম ৩. প্রমুখ মহিয়সী নারীদের কথাও পবিত্র কোরআনে রয়েছে। যেমন - ক. হযরত আছিয়া (আ) খ. হযরত আয়েশা (রা) গ.রাণী বিলকিস। ৪. সম্পত্তিতে নারীদের প্রাপ্য সুনির্দিষ্ট করে দিয়েছে ইসলাম। পিতা, মাতা, স্বামী, সন্তান, ভাই প্রমুখের নিকট থেকে সম্পত্তির সুনির্দিষ্ট অংশের অধিকারী হন নারীরা। পৃথিবীর অন্য কোন ধর্ম, আইন ও ব্যবস্থায় নারীকে এমন অধিকার দেয়া হয়নি। ৫. নারীর ভরণপোষণের দায়িত্ব পুরুষের উপর অর্পণ করা হয়েছে। ৬. হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মায়ের পায়ের নীচে সন্তানের বেহেশত। ৭. নবীজী (সা.) আরও বলেছেন, মায়ের মর্যাদা পিতার চেয়ে তিন গুণ বেশি। ৮. তিনি আরও বলতেন, আমি কন্যা সন্তানের পিতা। তাঁর কন্যা ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু আনহাকে তিনি সব সময় ছায়ার মতো রাখতেন এবং তাঁকে বেহেশতে নারীগণের সর্দার হিসেবে অভিহিত করেছেন। ৯. ঘরে ফিরে নবীজী প্রথমে কন্যা সন্তানকে কাছে টেনে নিতেন এবং কিছু উপহার দিতেন। তারপর ছেলে সন্তানের দিকে নজর দিতেন। ১০. নবীজী বলেছেন, যাঁর একটি কন্যা সন্তানও আছে, তিনি যদি তাকে সঠিকভাবে লালন পালন করেন, তাহলে তিনি বেহেশতে যাবেন। ১১. পৃথিবীর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষণ "বিদায় হজ্জের ভাষণ" এ নবীজী নারীদের মর্যাদা, অধিকার ও সম্মান প্রতিষ্ঠার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন। পুনশ্চ: বিশ্বনবী (সা.) বলতেন, আমি কন্যা সন্তানের পিতা।

Comments


পাঠক নিবন্ধন ফর্ম​

জমা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ!

লেখা প্রদানের জন্য মেইল করুন

banglakotha2011@gmail.com

©2025 by Banglakotha

Bangladesh

bottom of page