top of page

জাতীয় হাসন উৎসব ২০২১

বাঙলাকথা প্রতিবেদন

প্রধান অতিথি পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি

মরমী সাধক হাসন রাজার ১৬৭ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে হাসন রাজা ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসের যৌথ উদ্যোগে ২৮ ডিসেম্বর ২০২১ খ্রিঃ মঙ্গলবার জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে জাতীয় হাসন উৎসব ২০২১ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলির সদস্য ইনাম আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে আয়োজিত এ উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিদ ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি। বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক মোঃ জেহাদ উদ্দিন এর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাসন রাজা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও হাসন রাজার প্রপৌত্র সামারীন দেওয়ান, অধ্যাপক ডাক্তার ফয়জুল ইসলাম চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডঃ হারুন রশীদ, বাংলাদেশ কপিরাইট অফিসের রেজিস্টার জাফর রাজা চৌধুরী, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গীত বিভাগের অধ্যাপক ডঃ জাহিদুল কবীর, এডভোকেট মলয় চক্রবর্তী রাজু, নাসিম আহমেদ প্রমুখ।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি

হাসন উৎসব হাসন রাজার সঙ্গীত পরিবেশন করেন প্রবীণ শিল্পী ও সুরকার আহকামুল ইসলাম, বাউল গরীব মুকতার, কামরুজ্জামান রাব্বি, এস বি শাহীন, রাজিন শারাফি, প্রণব হালদার প্রান্ত, কানিজ খন্দকার মিতু, অন্বেষা দাস, হৃদয় খন্দকার, হামিদা বানু, অনিকা রিমা প্রমুখ। সমবেত কণ্ঠে হাসন রাজার সঙ্গীত পরিবেশন করেন হাসন রাজা ফাউন্ডেশনের শিল্পীবৃন্দ। হাসন হাজা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হাসন রাজার প্রপৌত্র জনাব সামিরান দেওয়ান হাসন রাজার জীবন, কর্ম, দর্শন এবং হাসন সংগীতের মর্মার্থ সুরের মাধ্যমে উপস্থাপন করেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ড. জাহিদুল কবীর।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি বলেন, ‘আমি হাসন রাজার সুনামগঞ্জের বাড়িতে গিয়েছি। হাসন রাজার জীবন-দর্শন নিয়ে তাঁর প্রপৌত্র সামারীন দেওয়ানের অভূতপূর্ব উপস্থাপনা আমি মুগ্ধ হয়ে উপভোগ করেছি।’ প্রতিমিন্ত্রী বলেন, হাসন রাজার জমিদারীর আওতা ছিল ৫ লক্ষ একর জমি যা তাঁর কাছে মোটেই গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। তিনি সম্পদের পেছনে না ছুটে মানুষের কল্যাণে সব ব্যয় করেন এবং গভীর সাধনার মাধ্যমে মহান স্রষ্টার সান্নিধ্য লাভ করেন। তিনি অনাগত কালের জন্য রেখে গেছেন তাঁর অপার্থিব সৃষ্টি। তাঁর সেই সব সৃষ্টি-কর্ম যথাযথভাবে সংরক্ষণ এবং দেশ-বিদেশে তা সঠিকভাবে ছড়িয়ে দিতে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করব। প্রতিমন্ত্রী ২০২২ সালে যথাযথ মর্যাদার সাথে হাসন রাজার তিরোধানের শততম বার্ষিকী উদযাপনের ঘোষণা প্রদান করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি বলেন, ‘আমি সুনামগঞ্জের মানুষ। আমরা কেবল বিস্তৃত হাওড় থেকে প্রচুর পরিমাণে মৎস্য সম্পদই সরবরাহ করি না, বাংলার লোকসংস্কৃতির সুবিশাল ভাণ্ডারও হাওড় এলাকার মধ্যেই রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আমার বাড়ির একদিকে হাসন রাজা, অপরদিকে রাধারমণ এবং অন্যদিকে শাহ আব্দুল করিমের বাড়ি যা আমার জন্য অনেক গৌরবের বিষয়।’ মন্ত্রী বলেন, লোকসংস্কৃতি আমাদের পরিচয়কে বহন করেন। বিশেষ গুরুত্ব সহকারে আমাদের আবহমান বাংলার এ ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করতে হবে। তিনি বলেন, সুনামগঞ্জে হাসন রাজা সংগ্রহশালা ও একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সভাপতির বক্তব্যে ইনাম আহমেদ চৌধুরী বলেন, হাসন রাজা সব সময়ের জন্য প্রাসঙ্গিক। সঠিক হাসন রাজাকে সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিতে তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।



Comments


পাঠক নিবন্ধন ফর্ম​

জমা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ!

লেখা প্রদানের জন্য মেইল করুন

banglakotha2011@gmail.com

©2025 by Banglakotha

Bangladesh

bottom of page