top of page

নজরুল: জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণের কবি।। আমিনুল ইসলাম


কৃষাণ চন্দর বলেছেন, যে-কোনো সভ্যতার উৎকৃষ্ট ব্যারোমিটার হচ্ছে তার কবি-সাহিত্যিক। বেঠোফেন বলেছেন, একজন মহৎ কবি একটা জাতির সবচেয়ে মূল্যবান রত্ন। কোলারিজ বলেছেন, কোনো লোকই মহৎ কবি হতে পারে না যে পর্যন্ত না সে একইসঙ্গে সুসম্পন্ন দার্শনিক হয়। | [No man was ever yet a great poet, without being at the same time a profound philosopher. -Samuel Taylor Coleridge] পৃথিবীর অনেক ভাষারই অনেক কবি ছিলেন যারা বেশ প্রচারিত, পরিচিতি এবং কবি হিসেবেও শক্তিমান। কিন্তু তাদের সকলেই নয়, কেউ কেউ ছিলেন মহৎ কবি। সেই স্বল্পসংখ্যক মহৎ কবিদের একজন কাজী নজরুল ইসলাম। আমরা আজকাল প্রায় Knowledge-based Society বা জানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণের কথা শোনা যায়। কিন্তু নজরুল সেই তখনই জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণের কথা ভেবেছেন এবং সেকথা বলেছেন জোরেসোরে। কাজী নজরুল ইসলাম প্রবলভাবে জ্ঞানানুরাগী ছিলেন। তিনি জ্ঞানভিত্তিকসমাজ গঠনের পক্ষে ছিলেন। মূর্খতা, অশিক্ষা, অন্ধত্ব ইত্যাদি দূর করতঃ জ্ঞানের আলোকিত সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন ছিল তাঁর জীবন দর্শনের অন্যতম প্রধান দিক। তিনি গভীরভাবে বিশ্বাস করতেন যে জ্ঞানই প্রকৃত শক্তি এবং জ্ঞানার্জন হচ্ছে কোনো মানুষের শক্তিমান মানুষে হয়ে গড়ে ওঠার প্রকৃষ্টতম পন্থা। তিনি ছোটকাল থেকেই জ্ঞানানুরাগী ছিলেন। তিনি তাঁর এক লেটো গানে বলেছিলেন: শোনো শোনো ব্রাহ্মণ পণ্ডিত আর মৌলভি সবে। সকল ধর্মের সার কি? জানিতে মোরে হবে? সে কারণে বেদ উপনিষদ পুরাণাদি আর, জানিতে পড়িতে জাগে বাসনা আমার, ফার্সিতে এসব তরজমা করহ তোমরা সবে।। [লেটো গান, নজরুলসঙ্গীত সমগ্র ] তিনি যতদিন সুস্থ ছিলেন, ততদিন এই জ্ঞানের সাধনা করে গেছেন। বিশ্বসাহিত্য, বিশ্বদর্শন, বিভিন্ন ধর্ম এবং সংগীত বিষয়ে তাঁর জ্ঞান ছিল বিস্ময়করভাবে ব্যাপক ও গভীর। বিশ্বসাহিত্য, তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব, আন্তর্জাতিক ইতিহাস ও মিথ, মানবজাতির অতীত ইতিহাস, সংগীত, সরকার ও প্রশাসন, পুঁজিবাদ, পুরুষতন্ত্র, ধর্মীয় ও সামাজিক কুসংস্কারের শেকড় প্রভৃতি বিষয়ে তাঁর অভিজ্ঞান ছিল ঈর্ষণীয়ভাবে সমৃদ্ধ। তিনি একইসঙ্গে বাংলা, আরবী, হিন্দি, উর্দু, ফারসী প্রভৃতি ভাষায় পারদর্শী ছিলেন। তবে সবচেয়ে বড় বিষয়টি হচ্ছে---তিনি ছিলেন স্বশিক্ষিত ও সুশিক্ষিত ; তিনি নিজের জীবন নিজেই গড়ে তুলেছিলেন। তাঁর জীবনই ছিল তাঁর পাঠশালা; তাঁর জীবনই ছিল তাঁর শিক্ষক; তিনি নিজেই ছিলেন সেই পাঠশালার ছ্ত্রা। সেই সময়ে বাঙালি মুসলমান সমাজ জ্ঞানবিমুখ ও শিক্ষা থেকে দূরে সরে ছিল। বৃদ্ধি পেয়েছিল হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে সাম্প্রদায়িকতা ও বৈষম্যজনিত দূরত্ব । নজরুল জেনেছিলেন একমাত্র শিক্ষায় সমানভাবে প্রাগসর হলেই দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পারিক শ্রদ্ধাবোধ ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি জ্ঞানার্জনের ওপর জোর দিয়ে বলেছেন: “আজ বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে একজনও চিত্র-শিল্পী নাই, ভাস্কর নাই, সঙ্গীতজ্ঞ নাই, বৈজ্ঞানিক নাই, ইহা অপেক্ষা লজ্জার আর কি আছে? এই সবে যাহারা জন্মগত প্রেরণা লইয়া আসিয়াছিল, আমাদের গোঁড়া সমাজ তাহাদের টুঁটি টিপিয়া মারিয়া ফেলিয়াছে ও ফেলিতেছে। এই অত্যাচারের বিরুদ্ধে আমাদের সমস্ত শক্তি লইয়া বুঝিতে হইবে। নতুবা আর্টে বাঙালি মুসলমানদের দান বলিয়া কোনো কিছু থাকিবে না। পশুর মতো সংখ্যাগরিষ্ঠ হইয়া বাঁচিয়া আমাদের লাভ কি, যদি আমাদের গৌরব করিবার কিছুই না থাকে। ভিতরের দিকে আমরা যত মরিতেছি, বাহিরের দিকে তত সংখ্যায় বাড়িয়া চলিতেছি। এক মাঠ আগাছা অপেক্ষা একটি মহীরুহ অনেক বড় শ্রেষ্ঠ।” তিনি মুসলমানদের জ্ঞানবিজ্ঞানবিমুখতাকে চিহ্নিত করে আরও জোরে কষাঘাত হেনে বলেছেন, ‘বিশ্ব যখন এগিয়ে চলেছে আমরা তখনো বসে / বিবি তালাকের ফতোয়া খুঁজেছি ফিকাহ ও হাদীস চষে ।’ প্রসঙ্গত আরও উল্লেখ্য, নজরুল চাকরিপ্রত্যাশী কেরানি তৈরীর শিক্ষাকে প্রকৃত শিক্ষা বলতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেছেন। তিনি শিক্ষা বলতে গভীরভাবে জ্ঞানার্জন ও অন্তরের দিক থেকে আলোকিত মানুষ হয়ে ওঠাকে বুঝিয়েছেন। এখন যেটাকে আলোকায়ন বা Enlightenment বলা হচ্ছে , নজরুল বহু আগেই সেকথা বলেছেন। তখন পরাধীন ভারতের বাংলায় উচ্চশিক্ষিত একদল হিন্দু যুবক গড়ে তুলেছিল আলোকপ্রাপ্ত একটা সমাজ বা সংঘ। তাদের বলা হতো ইয়ং বেঙ্গল। তারাই বাংলা সাহিত্যে ও শিল্পে আধুনিকতার আলো ছড়িয়েছিল। তারাই হিন্দু সমাজের সকল ধর্মীয়-সামাজিক কুসংস্কার ও অন্ধত্বকে চ্যালেঞ্জ করেছিল। তাদের সৃষ্ট আন্দোলনের নাম হয়েছিল ইয়ং বেঙ্গল মুভমেন্ট। সেই জ্ঞানালোক থেকে বাঙালি মুসলমান সমাজ ছিল পিছিয়ে, দূরে। নজরুল তুলনা রচে বলেছিলেন: “ইউনিভার্সিটির কত উজ্জলতম রত্ন – যাহারা আজ অনায়াসে জজ ম্যাজিস্টেন্সট ব্যারিস্টার প্রফেসার হইয়া নির্ঝঞ্ঝাট জীবনযাপন করিত, তাহারা রাস্তায় প্রাণ ফিরি করিয়া ফিরিতেছে। ইহারা আছে বলিয়াই ত মেরুদণ্ডহীন বাঙালি জাতি আজও টিকিয়া আছে। দীপ-শলাকার মত ইহারা নিজেদের আয়ু ক্ষয় করিয়া গ্রামে গ্রামে ঘরে ঘরে প্রাণ-প্রদীপ জ্বালাইয়া তুলিতেছে। আমাদের মুসলমান তরুণেরা লেখাপড়া করে, জ্ঞান অর্জনের জন্য নয়, চাকুরি অর্জনের জন্য। গাধার “ফিউচার প্রসপেক্টের” মত আমরা ঐ চাকুরির দিকে তীর্থের কাকের মত হা করিয়া চাহিয়া আছি। বি-এ, এম-এ, পাশ করিয়া কিছু যদি না হই অন্তত সাবরেজিস্টার বা দারোগা হইবই হইব, এই যাহাদের লক্ষ্য, এত স্বল্প যাহাদের আশা, এত নিম্নে যাহাদের গতি- তাহাদের কি আর মুক্তি আছে ? এই ভূত ছাড়িয়া না গেলে আমরা যে তিমিরে সে তিমিরেই থাকিয়া যাইব। এই ভূতকে ছাড়াইবার ওঝা আপনারা যুবকের দল। আমাদেরই প্রতিবেশী তরুণ শহীদদের আদর্শ যদি আমরা গ্রহণ করিতে না পারি, তাহা হইলে আমাদের স্থান সভ্য জগতের কোথাও নাই। চাকুরির মোহ, পদবির নেশা, টাইটেলের বা টাই ও টেলের মায়া যদি বির্সজন না করিতে পারি, তবে আমাদের সঙ্ঘ প্রতিষ্ঠার আশা সুদূর পরাহত।” [ তরুণের সাধানা / কাজী নজরুল ইসলাম ] কাজী নজরুল ইসলামের জীবনদর্শনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি জ্ঞানভিত্তিক সমাজগঠনের প্রতি প্রবল ও আপসহীন অনুরাগ। জ্ঞানভিত্তিক সমাজ চলে প্রগতির পথ ধরে। প্রগতিশীল কথাটি আজকাল অতিব্যবহারে, অপব্যবহারে এবং ডাবল স্ট্যান্ডার্ড লোকদের হাতে পড়ে তার গ্রহণযোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছে অনেকখানি। প্রগতিশীলতা নিয়ে পণ্ডিতগণা যাই বলুন না কেন, প্রগতিশীলতার সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি অনুরাগ কিংবা বিশেষ ধরনের পোশাক পরিচ্ছদ ব্যবহার ইত্যাদির কোনো সম্পর্ক নেই। সহজ কথায় কোনো ব্যক্তির ভূমিকায় যখন সম্মুখগামী সভ্যতা ও সংস্কৃতির চাকায় গতি যোগ হয়, তখন সেই ব্যক্তিকে আমরা প্রগতিশীল মানুষ বলতে পারি। আলোকিত সমাজের প্রধান কাজ হচ্ছে সংস্কৃতি ও বিজ্ঞানের মধ্যে সুসমন্বয় সাধন। কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন প্রকৃত অর্থেই প্রগতিশীল মানুষ। তাঁর প্রগতিশীলতার মধ্যে কোনো খাদ ছিল না। তিনি ধর্ম ও বিজ্ঞানের মধ্যে মতবিরোধকে দ্বন্দ্ব হিসেবে না দেখে উভয় অঙ্গনের ইতিবাচক দিকগুলোকে গ্রহণ করেছিলেন। তিনি লেটোগানে বলেছিলেন, ‘কোন কেতাবে লেখা আছে, হারাম বাজনা গান/ দাউদ নবীর বাঁশির সুরে চমকে পাখির প্রাণ/ সুর যদি ভাই হারাম হতো/ বেলালে কি আজান দিত/ হাফিজ কারী মধুর সুরে, পড়ত কি কোরান।’(লেটো গান) তিনি বিজ্ঞানকে বরণ করে করে বিজ্ঞানের পক্ষে বহু কবিতা লিখেছেন । তিনি তাঁর এক অভিভাষণে বলেছিলেন, ‘বিংশ শতাব্দীর অসম্ভবের সম্ভাবনার যুগে আমি জন্মগ্রহণ করেছি। এরি অভিযান- সেনাদলের তূর্যবাদকের একজন আমি- এই হোক আমার সবচেয়ে বড় পরিচয়।’ বিংশ শতাব্দী মানেই বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রা, বিজ্ঞানের জয়জয়কার। কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সামগ্রিক অর্থেই বিদ্রোহী কবি, বিদ্রোহী মানুষ। ফলে পুরনোর স্থলে নতুনকে বরণ করাই ছিল তাঁর স্বভাবসিদ্ধ কাজ। বিজ্ঞানের আবিষ্কার বিদ্যুৎ, গ্রামোফোন রেকর্ড, জীপগাড়ি এসব তিনি ব্যক্তিজীবনেই ব্যবহার করেছিলেন অন্যদের চেয়ে একধাপ এগিয়ে। তিনি জীবনে ও সৃষ্টিশীলতায় বিজ্ঞানকে গ্রহণ করেছিলেন উৎসাহিত চিত্তে। বিজ্ঞানীদের কার্যক্রম লক্ষ করে তিনি তাঁর কবিতায় বলেছিলেন, ‘নীহারিকা-লোকে অনিমিখে চেয়ে আছেন বৈজ্ঞানিক/ কত শত নব সূর্য জনমি রাঙায় অজানা দিক।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘তুহিন মেরু পার হয়ে যায়/ সন্ধানীরা কিসের আশায়/ হাউই চড়ে চাই যেতে কে চন্দ্রলোকের অচিনপুরে/ শুনবো আমি ইঙ্গিৎ কোন্ মঙ্গল হ’তে আসছে উড়ে।’ ‘সন্ধানীরা’ মানেই বিজ্ঞানীরা। এই কবিতা রচিত হওয়ার প্রায় দুই যুগ পর বিজ্ঞানীরা সত্যি সত্যি চাঁদে গেছেন। এখন তো বিভিন্ন গ্রহে প্রাণের অনুসন্ধান চলছে। এভাবেই নজরুলের ভাবনা ও বিজ্ঞানীর অনুসন্ধান একবিন্দুতে মিলিত হয়ে গেছে। তিনি তাঁরা ‘আমি গাই তারি গান’ কবিতায় সাগরে, ভূগর্ভে-আকাশে-জঙ্গলে অনুসন্ধান পরিচালনাকারী বিজ্ঞানীদের নান্দীপাঠ করেছেন। যারা মেঘ-বজ্র ছেনে বিদ্যুৎ আবিষ্কার করেছেন, যারা বৈদ্যুতিক ফ্যান আবিষ্কারের মাধ্যমে বাতাসকে করেছেন ‘আজ্ঞাবাহী’, যারা সাগরের গর্ভ থেকে মুক্ত আহরণ করেছেন, তিনি তাদের সবার জন্য বন্দনা রচেছেন : ‘এসেছি তাদের জানাতে প্রণাম, তাহাদের গান গাহি’। তিনি শিল্পসাহিত্য-সংগীতকে প্রগতিশীল সমাজের অপরিহার্য উপকরণ হিসেবে চিহ্নিত করেন। তখন মুসলমান সমাজ এসব ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়েছিল অশিক্ষা ও কুসংস্কারের দাস হয়ে। নজরুল বলেছেন, ‘আজ বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে একজনও চিত্র-শিল্পী নাই, ভাস্কর নাই, সঙ্গীতজ্ঞ নাই, বৈজ্ঞানিক নাই, ইহা অপেক্ষা লজ্জার আর কি আছে ? এই সবে যাহারা জন্মগত প্রেরণা লইয়া আসিয়াছিল, আমাদের গোঁড়া সমাজ তাহাদের টুটি টিপিয়া মারিয়া ফেলিয়াছে ও ফেলিতেছে। এই অত্যাচারের বিরুদ্ধে আমাদের সমস্ত শক্তি লইয়া বুঝিতে হইবে। নতুবা আর্টে বাঙালি মুসলমানদের দান বলিয়া কোনো কিছু থাকিবে না। পশুর মত সংখ্যাগরিষ্ঠ হইয়া বাঁচিয়া আমাদের লাভ কি , যদি আমাদের গৌরব করিবার কিছুই না থাকে। ভিতরের দিকে আমরা যত মরিতেছি, বাহিরের দিকে তত সংখ্যায় বাড়িয়া চলিতেছি। এক মাঠ আগাছা অপেক্ষা একটি মহীরুহ অনেক বড়- শ্রেষ্ঠ।’ [ তরুণের সাধনা / কাজী নজরুল ইসলাম] তিনি আলোকিত ও প্রগতিশীল জীবনের পথে যা-কিছু বাধা আছে ধর্মীয় কিংবা সামাজিক, তা অপসারণের প্রেরণা দিয়েছেন প্ররোচনামূলক ভাষায়: ‘ “আমরা বিশ্বের সর্বাগ্রে চলমান জাতির সহিত পা মিলাইয়া চলিব। ইহার প্রতিবন্ধক হইয়া দাঁড়াইবে যে বিরোধ আমাদের শুধু তাহার সাথেই। ঝঞ্ঝার নূপুর পরিয়া নৃত্যায়মান তুফানের মত আমরা বহিয়া যাইব। যাহা থাকিবার তাহা থাকিবে, যাহা ভাঙ্গিবার তাহা আমাদের চরণাঘাতে ভাঙ্গিয়া পড়িবেই। দুর্যোগ রাতের নীরন্ধ অন্ধকার ভেদ করিয়া বিচ্ছুরিত হউক আমাদের প্রাণ-প্রদীপ্তি ! সকল বাধা-নিষেধের শিখর-দেশে স্থাপিত আমাদের উদ্ধত বিজয়-পতাকা। প্রাণের প্রাচুর্যে আমরা যেন সকল সঙ্কীর্ণতাকে পায়ে দলিয়া চলিয়া যাইতে পারি।’ [পূর্বোক্ত] কাজী নজরুল ইসলাম বলেছিলেন, ‘বিশ্বজগৎ দেখবো আমি আপন হাতের মুঠোয় পুরে।’ সে-কাজটি করতে বহুমুখী হালনাগাদ জ্ঞানের বিকল্প নেই। নজরুল সেই নবায়নশীল জ্ঞানদীপ্ত পথের পথিক ছিলেন। ----------০০০-------------

Comentários


পাঠক নিবন্ধন ফর্ম​

জমা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ!

লেখা প্রদানের জন্য মেইল করুন

banglakotha2011@gmail.com

©2025 by Banglakotha

Bangladesh

bottom of page